আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
কুমিল্লায় সিভিল সার্জন অফিসের নাম ভাঙ্গিয়ে চলছে ভুয়া হাসপাতাল ও ভুয়া ডাক্তার       বিএনপিতে রাজনীতিকরা উপেক্ষিত: ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জয়জয়কার!      রামপুরা থানা আওয়ামীলীগের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত নেতারা!      নিষিদ্ধ বিট কয়েনের গোপন বাজারে ছদ্মনামে লেনদেন      বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়াতে মানবপাচারের নতুন রুট ইন্দোনেশিয়া       দিনদিন বাড়ছে ডাক্তারের সংখ্যা: গত পাঁচ বছরে ২৫ হাজার এমবিবিএস ডাক্তার      ডিএনসিসি উপনির্বাচন: আদালতের মাধ্যমে উপনির্বাচন স্থগিত করার আশঙ্কাই সত্য হলো      
ট্রাস্ট আইনে মামলা হতে পারে, দুদক করে কি করে: খালেদা জিয়া
Published : Thursday, 16 November, 2017 at 4:11 PM
ট্রাস্ট আইনে মামলা হতে পারে, দুদক করে কি করে: খালেদা জিয়াবিডিহটনিউজ, ঢাকা: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘ট্রাস্টের সঙ্গে কেউ কোনও অনিয়ম বা আইনভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ট্রাস্ট আইনে মামলা হতে পারে। কিন্তু দুদক কিভাবে ট্রাস্টের কথিত অনিয়ম, দুর্নীতির ব্যাপারে মামলা নথি করে? এটা কি তাদের আওতা ও এখতিয়ারের ভেতরে পড়ে? এছাড়া এখানে কোনও রকম দুর্নীতি হয়নি। এ মামলায় আমাকে কেন অভিযুক্ত করা হয়েছে তাও আমার বোধগম্য নয়।  আমার বিরুদ্ধে অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগে ক্রমাগত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, জনগণ থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করতেই তারা এসব মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিয়েছে।’
তিনি আরো অভিযোগ করেন, ‘আমার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩২টি মামলা করা হয়েছে।  এর সবগুলোই করা হয়েছে অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে। জনগণের কাছে এটা পরিষ্কার যে  আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা প্রতিটি মামলাই হয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে।  আমি রাজনীতিতে সক্রিয় বলেই এবং আমাকে ক্ষমতাসীনদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করেই মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। অথচ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলাগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে।’ 
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। আজ পঞ্চম দিনের মতো বক্তব্য রাখেন তিনি। 
তিনি এসময় বলেন, ‘এসব মামলা দায়েরের উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাকে হেনস্তা করা এবং জনগণের সামনে আমাকে হেয় করা।  কিন্তু তাদের সে উদ্দেশ্য সফল  হয়নি, হবেও না।  বরং এসব করে তারাই জনগণের কাছে হেয় হচ্ছে ও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে।’
খালেদা জিয়া বলেন, “আমরা অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দায়ের করা মামলা-মোকদ্দমায় মোটেও ভীত নই। তবে দেশবাসী ও আমাদের আশঙ্কার কারণ অন্য জায়গায়। সেটা হচ্ছে অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ও ন্যাক্কারজনকভাবে দেশ থেকে ন্যায়বিচারের  পরিবেশ ও  সুযোগ সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে।  শাসক মহল তাদের এই অপকর্ম ও অসত্য উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সব রকমের কারসাজির আশ্রয় নিয়েছে। জনগণ বলছে, দেশের ন্যায় বিচারের বদলে সৃষ্টি হচ্ছে ‘নাই’ বিচারের পরিবেশ।”
তিনি বলেছেন,  ‘প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে তার পদ থেকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। সংবিধানে ষোড়শ সংসোধনী রায় দেওয়ার পর থেকে সিনহার বিরুদ্ধে ক্ষমতাসীনদের অপতৎপরতা শুরু হয়। শাসক মহল তাদের ক্রোধও গোপন করে রাখতে পারেনি।’
খালেদা জিয়া বলেন, ‘তারা (সরকার) প্রকাশ্যেই প্রধান বিচারপতিকে নানা রকম হুমকি দিয়ে আপত্তিকর ও আক্রমণাত্মক মন্তব্য করতে শুরু করে। সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার অপরাধে তাকে পদত্যাগ করে চলে যেতে বলা হয়।  প্রধান বিচারপতিকে যেখানে এমন ভাগ্য বরণ করতে হয়, সেখানে অন্য বিচারকদের সামনে ন্যায় বিচারের সুযোগ ও পরিবেশ কি থাকতে পারে?  এই পরিস্থিতিতে দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের কতটুকু আস্থা থাকতে পারে?’
খালেদা জিয়া বলেন, ‘এখন সংবাদমাধ্যমের কোনও স্বাধীনতা নাই। ক্ষমতাসীনদের রোষানলে পড়ার ভয়ে তারা সত্য সংবাদ অবাধে প্রকাশ করার সাহস পায় না।’
পঞ্চমবারের মতো বক্তব্য দিয়েও খালেদা জিয়ার কথা শেষ না হওয়ায় আগামী ২৩ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত।







আইন আদালত পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com