আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
অং সান সু চি ও তার সরকার বালিতে মাথা গুঁজে রেখেছে: অ্যামনেস্টি      রোহিঙ্গা ইস্যুতে ট্রাম্প-হাসিনা আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিবের পরস্পর বিরোধী দাবী!      হঠাৎ সুর পাল্টাল সু চি: সু চির বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ যেসব বিষয়...      সুপেয় পানির জন্য রোহিঙ্গাদের হাহাকার      বাসর রাতে বরকে শাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা!      ঝালকাঠিতে ভেঙ্গে পড়েছে শেরেবাংলা স: প্রা: বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা      রোহিঙ্গাদের দূদর্শার নাম আরসা বা আল ইয়াকিন      
অতিরিক্ত ঘুম ও অলসতা কতটুকু ক্ষতিকর?
মো:নাসির (নিউ জার্সি, আমেরিকা থেকে)
Published : Monday, 4 September, 2017 at 12:10 AM, Count : 107
অতিরিক্ত ঘুম ও অলসতা কতটুকু ক্ষতিকর?অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। এমনকি ভালো জিনিসও ভালো নয়। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ঘুম এবং কাজ না করাটা মারাত্মক ক্ষতিকর। দীর্ঘসময় ঘুমিয়ে কিংবা নিষ্ক্রিয় পড়ে থাকা রীতিমতো ধূমপান বা মদ্যপানের মতোই ক্ষতিকর।

অস্ট্রেলিয়ার স্যাক্স ইনস্টিটিউট সে দেশের ৪৫ বছরের বেশি বয়সী ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা করে। এটা ছিল দীর্ঘসময়ের গবেষণা। এ সকল মানুষের জীবনযাপনে যত বাজে অভ্যাস রয়েছে তার তথ্য নেওয়া হয়। এর মধ্যে মোটেই কাজ না করা আর ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুম তালিকাবদ্ধ করা হয়। আরো বদভ্যাসের মধ্যে ছিল ধূমপান, অ্যালকোহল, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি। জরিপকৃতদের ৩০ শতাংশের এসব অভ্যাসের দু-তিনটি চর্চা করতেন। ৬ বছর পরের এক রিপোর্টে দেখা যায়, এদের প্রায় ১৬ হাজারের মৃত্যু ঘটেছে।

এদের মধ্যে যারা দৈহিকভাবে একেবারেই ঘাম ঝরান না, তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ১.৬ গুণ বেশি। ন্যূনতম কাজ করা বলতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা থেকে ভারী কাজ বোঝায়।

আবার যারা কাজ করে না এবং প্রচুর ঘুমান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি বেশি। এ দুইয়ের সঙ্গে যদি ধূমপান এবং অ্যালোকোহল যোগ হয়, তবে ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পায়।  

ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সিডনি স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর ফেলো এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণার প্রধান মেলোডি ডিং জানান, চরম অলসতা এবং ঘুমানোর সঙ্গে আয়ু কমে আসার বিষয়টি জড়িত। যারা নড়াচড়া না করে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন এবং বেশি বেশি ঘুমান শারীরিক অবস্থা অন্যদের চেয়ে বেশি খারাপ থাকে।

গবেষকরা আরো জানান, এ দুটি বদভ্যাসের সঙ্গে অন্য কোনো প্রভাবকের যোগ করে দেখেননি ঝুঁকির মাত্রা কতটা বৃদ্ধি পায়। তবে একমাত্র স্বাস্থ্যকর আচরণই মৃত্যুঝুঁকি হ্রাস করতে পারে বলে গবেষণার ইতি টানের গবেষকরা।
  অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। এমনকি ভালো জিনিসও ভালো নয়। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অতিরিক্ত ঘুম এবং কাজ না করাটা মারাত্মক ক্ষতিকর। দীর্ঘসময় ঘুমিয়ে কিংবা নিষ্ক্রিয় পড়ে থাকা রীতিমতো ধূমপান বা মদ্যপানের মতোই ক্ষতিকর।

অস্ট্রেলিয়ার স্যাক্স ইনস্টিটিউট সে দেশের ৪৫ বছরের বেশি বয়সী ২ লাখ ৩০ হাজার মানুষের ওপর গবেষণা করে। এটা ছিল দীর্ঘসময়ের গবেষণা। এ সকল মানুষের জীবনযাপনে যত বাজে অভ্যাস রয়েছে তার তথ্য নেওয়া হয়। এর মধ্যে মোটেই কাজ না করা আর ৯ ঘণ্টার বেশি ঘুম তালিকাবদ্ধ করা হয়। আরো বদভ্যাসের মধ্যে ছিল ধূমপান, অ্যালকোহল, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি। জরিপকৃতদের ৩০ শতাংশের এসব অভ্যাসের দু-তিনটি চর্চা করতেন। ৬ বছর পরের এক রিপোর্টে দেখা যায়, এদের প্রায় ১৬ হাজারের মৃত্যু ঘটেছে।

এদের মধ্যে যারা দৈহিকভাবে একেবারেই ঘাম ঝরান না, তাদের মৃত্যুর সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ১.৬ গুণ বেশি। ন্যূনতম কাজ করা বলতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা থেকে ভারী কাজ বোঝায়।

আবার যারা কাজ করে না এবং প্রচুর ঘুমান তাদের মৃত্যু ঝুঁকি বেশি। এ দুইয়ের সঙ্গে যদি ধূমপান এবং অ্যালোকোহল যোগ হয়, তবে ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পায়।  

ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সিডনি স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর ফেলো এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণার প্রধান মেলোডি ডিং জানান, চরম অলসতা এবং ঘুমানোর সঙ্গে আয়ু কমে আসার বিষয়টি জড়িত। যারা নড়াচড়া না করে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন এবং বেশি বেশি ঘুমান শারীরিক অবস্থা অন্যদের চেয়ে বেশি খারাপ থাকে।

গবেষকরা আরো জানান, এ দুটি বদভ্যাসের সঙ্গে অন্য কোনো প্রভাবকের যোগ করে দেখেননি ঝুঁকির মাত্রা কতটা বৃদ্ধি পায়। তবে একমাত্র স্বাস্থ্যকর আচরণই মৃত্যুঝুঁকি হ্রাস করতে পারে বলে গবেষণার ইতি টানের গবেষকরা।







আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com