আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন ও ত্রাণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনী       জাতিসংঘের হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডী'র শরণার্থী ক্যাম্প পরির্দশন      যেভাবে মোবাইল ট্র্যাক করে পুলিশ বা হ্যাকাররা      উ. কোরিয়ার ‘সবচেয়ে কাছে’ দিয়ে মার্কিন বোমারু বিমান উড়ে গেল      অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে সেবা বাণিজ্যের অভিযোগ      রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো এখন বৌদ্ধ মগদের দখলে       নিয়োগ পরিক্ষায় প্রক্সি: ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক দুই জনের কারাদন্ড      
মিরপুরে অষ্ট্রেলিয়া বধের গল্প
Published : Wednesday, 30 August, 2017 at 4:39 PM, Update: 30.08.2017 4:44:05 PM, Count : 348
মিরপুরে অষ্ট্রেলিয়া বধের গল্পস্পোর্টস রিপোর্টার: ঐতিহাসিক জয়। অনবদ্য পারফরম্যান্স। এবং দুরন্ত সাকিব। ঢাকায় ১১ বাঙালির গর্জনে ছিটকে গেল বিশ্বের অন্যতম সেরা দল। টেস্টে প্রথম বার অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
১১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তা ইস্যুতে ২০১৫ সালে বেঁকে বসায় সেই সিরিজ হয় ২০১৭ সালে। আর এই ম্যাচেই অসিদের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি খেলোয়াড়ের ‘অভিষেক’ হয়েছে। দলের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিমও প্রথমবার অসিদের বিপক্ষে ২২ গজে নামলেন। ঢাকা টেস্ট শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ার নামার আগে রোমাঞ্চিত ছিলেন। এই রোমাঞ্চই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় এনে দিল।  হলো আরেকটি ইতিহাস। সারা জাতিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল দিল আগাম ঈদ উপহার।
গত বছর মিরপুরে প্রথমবারের মতো সিংহ বধ করেছিল টাইগাররা। এবার সেখানে বধ হলো ক্যাঙ্গারুরা। চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টার পরই ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলে যেতে থাকে। সাকিব-তাইজুল-মিরাজদের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে ক্যাঙ্গারুরা। আর তাতেই ২০ রানের জয় ধরা দেয় স্বাগতিকদের মুঠোয়।
তবে এটাকে অবিশ্বাস্য বলার কোনও সুযোগ নেই। মিরপুরের উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা ঠিক এমনি কঠিন। এই কঠিনতম উইকেটে স্মিথ-ওয়ার্নাররা কাজটা অনেক সহজ করে ফেলেছিল বলে বাহবা পেতেই পারেন সফরকারীরা। তবে প্রথম সেশনের এক ঘণ্টা পর বাংলাদেশের বোলাররা যেভাবে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেছে তার জন্য তারাও স্যালুট পাবার যোগ্য।
তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবাল উইকেটে বৈচিত্র্যপূর্ণ আচরণের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেন, ‘উইকেট আনপ্রেডিক্টেবল। যে কোনও সময় যে কোনও কিছু হতে পারে। আমাদের ধৈর্য্য ধরে চতুর্থদিনের সকালটা শুরু করতে হবে। আগের ইনিংসগুলোতে একটা উইকেট পড়লে, আরও দুই তিনটা উইকেট পড়ে গিয়েছিল।’
চতুর্থদিনের সকালে তামিমের কথা ভালো ভাবেই ফলেছে। দিনের শুরু থেকে স্বাগতিক বোলারদের ওপর চড়াও হতে থাকেন ওয়ার্নার ও স্মিথ। অসি অধিনায়ক কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে খেললেও ডেভিড ওয়ার্নার ছিলেন আক্রমণাত্মক। সাকিব-মিরাজ-তাইজুল বিভিন্ন ডেলিভারিতে তাকে পরাস্ত করতে পারছিলেন না।
অবশেষে আসলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। যার জন্য গোটা বাংলাদেশ অপেক্ষায় ছিল। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একটি ব্রেকথ্রু খুবই প্রয়োজন ছিল। সেই ব্রেকথ্রু প্রথম ঘণ্টার দশ মিনিট আগে এনে দেন বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার। ১১২ রান করা ওয়ার্নারাকে লেগ বিফরের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান সাকিব। আর তাতেই পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায় অতিথিদের। এরপর আশা-যাওয়ার মিছিল চলতে থাকে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের।
এই মিছিল পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার কোনও ব্যাটসম্যানই মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। লেট অর্ডার বেশ খানিকক্ষণ ক্রিজ আঁকড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত হার বাঁচানোর জন্য তাদের লড়াই যথেষ্ট ছিল না। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে; প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে হার দেখতে হয়েছে ক্যাঙ্গারুদের।
পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়েছেন সাকিব। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে হাফসেঞ্চুরি করার পর বল হাতে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তার এই পারফরম্যান্সে বাংলাদেশ লিড পায় ৪৩ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে কিছু করতে না পারলেও বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ম্যাচটি বের করে এনেছেন সাকিবই। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ওয়ার্নার, স্মিথ, ম্যাক্সওয়েল ও ওয়েডের উইকেট তুলে নেন। যদিও আগের দিন তুলে নিয়েছেন উসমান খাজার উইকেট। সবমিলিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে সাকিব কেন বিশ্বসেরা সেটাই প্রমাণ করলেন।

হাসলো গ্যালারি, হাসলেন প্রধানমন্ত্রী


মিরপুরে অষ্ট্রেলিয়া বধের গল্পতাইজুল ইসলামের বলে জশ হ্যাজলউড এলবিডাব্লিউ হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো গ্যালারি।  দর্শকদের উল্লসিত হাসি মুখের ছবি ক্যামেরায় ফুটে উঠে তখনই। একই সময় বাংলাদেশ দলের জয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। বাংলাদেশ দল যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী হেসে, হাত নেড়ে তামিম-সাকিবদের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি এ সময় বাংলাদেশের পতাকা হাতে এ ঐতিহাসিক জয় উদযাপন করেন। ফোনে তাকে কারও সঙ্গে আনন্দটা ভাগাভাগিও করতে দেখা গেছে। পাশে থেকে জয় উপভোগ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
বাংলাদেশের খেলা দেখতে বুধবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা চলছিল। ইনিংসের ৭০তম ওভারে প্রধানমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট বক্সে ঢোকেন। 
মিরপুরে সরাসরি সম্প্রচারেই টেলিভিশন স্ক্রিনে দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রীকে। বিগ স্ক্রিনে প্রধানমন্ত্রীকে দেখানোর পরপরই মাঠে দর্শকদের মধ্যে দেখা যায় বাড়তি উচ্ছ্বাস। বাংলাদেশ তার পরেই ওভারেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো টেস্ট জয় নিশ্চিত করে। ২০ রানের এই জয়ে বাংলাদেশ দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।
অস্ট্রেলিয়া দলের জন্য বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকায় প্রধানমন্ত্রী আসেন মাঠে, তাই বাড়তি কোনও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়নি।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলা দেখতে প্রধানমন্ত্রীর মাঠে ছুটে যাওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তিনি এর আগেও অনেকবার মাঠে ছুটে গিয়ে টাইগারদের উৎসাহ জানিয়েছেন। ক্রিকেটপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি ম্যাচেরই খোঁজ রাখেন, খেলায় জয়ী হলে দলকে অভিনন্দন জানান।

যে রেকর্ড শুধুই সাকিবের

রেকর্ডটা মনে হয় গা সওয়া হয়ে গেছে সাকিবের। যেভাবে রেকর্ড গড়ে চলেছেন, তাতে কিছুদিন পর রেকর্ডের পসরা সাজিয়ে বসলে হয়তো সাকিবই রেকর্ডের ভিড়ে হারিয়ে যাবেন! থেকে যাবে শুধু তার অমর সব কীর্তি। তেমনই আরেকটি অমর কীর্তি গড়ে ফেলেছেন অসিদের হারিয়ে। এক ইনিংসে ৮০ প্লাস রান এবং ১০ উইকেট নিয়ে টেস্টের রেকর্ড বইটাকে নতুন করে লিখলেন। টেস্টে ক্রিকেটে এখন একমাত্র সাকিবই এমন রেকর্ডের মালিক!
সাকিবের এমন কীর্তির খবর অ্যাডাম বারনেটই দেন ঘণ্টা দুয়েক আগে। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এই নিউজ এডিটর টুইটারে লিখে ফেললেন এভাবেই, ‘টেস্টে একমাত্র টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে ৮০ প্লাস রান এবং ১০ উইকেট নেওয়া ক্রিকেটার বনে গেলেন সাকিব।’
এখানেই শেষ হয়ে যায়নি সাকিব অখ্যান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্ট সাকিবকে দুইহাত ভরেই দিয়েছে ক্রিকেট বিধাতা। এই টেস্টে অনেক কীর্তিই নিজের করে নিয়েছেন। বুধবার ম্যাচের চতুর্থ দিনে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার সুবাদে এই টেস্টে সাকিবের এটা দ্বিতীয় ‘দশ’ উইকেট অর্জন। ব্যাট হাতেও প্রথম ইনিংসে করেন ৮৪ রান।
বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি দশ উইকেট নিয়েছেন মুত্তিয়া মুরালিধরন। তিনি মোট ২২বার এই কীর্তি গড়েন। এছাড়া শেন ওয়ার্ন দশবার, রিচার্ড হ্যাডলি ৯ বার দশ উইকেট করে নিয়েছেন।
সাকিব প্রথমবার দশ উইকেট নিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। সেবার খুলনা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথমবার এই কীর্তি গড়েছিলেন। খুলনা অনুষ্ঠিত ওই টেস্টের দুই ইনিংসেই ৫ উইকেট করে মোট দশ উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ব্রেন্ডন টেলর, ক্রেগ আরভিন, এলটন চিগুম্বুরা, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ম্যালকম ওয়েলারকে তুলে নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন ব্রেন্ডন টেলর, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, এলটন চিগুম্বুরা, সিকান্দার রাজা ও নাতসাই এম’শাঙউইকে।
এবার অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে নিজের ‘অভিষেক’ টেস্টেই তিনি বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি বিশ্বসেরা! ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ৫ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরিয়ে অনন্য এক রেকর্ডে মালিক বনে যান সাকিব। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সেরা এই অলরাউন্ডার শিকার করেন নাথান লিওন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাট রেনশ, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউড। দ্বিতীয় ইনিংসে সেই ধারা অব্যাহত রেখে ওয়ার্নার, স্মিথ, ম্যাক্সওয়েল, ওয়েড ও খাজাকে ফিরিয়ে পূরণ করেন দশ উইকেটের কোটা।
এর আগে সর্বপ্রথম এনামুল হক জুনিয়র এক টেস্টে দশ বা ততোধিক উইকেট নিয়েছিলেন। ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে এনামুল হক জুনিয়র। এনামুলের প্রথম ইনিংসে ৭টি উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছিলেন পাঁচটি উইকেট।
এছাড়া তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজের এই কীর্তি আছে। ইংলিশদের বিপক্ষে নিজের অভিষেক সিরিজে টেস্টে ১৯ উইকেট নিয়ে রেকর্ডবুকে নাম লেখিয়েছেন এই তরুণ। ঢাকা অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টেরে প্রথম ইনিংসে ৬টি উইকেট নিয়ে ইংলিশদের ধসিয়ে দিয়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও সমান সংখ্যক উইকেট নিয়ে তিনি তার প্রতিভার প্রমাণ রাখেন।

শচীন-ক্লার্কদের অভিনন্দনে সিক্ত বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ে-ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিপক্ষে টেস্ট জেতায় তেমন মূল্যায়ন কখনও পায়নি বাংলাদেশ। কিন্তু সবকিছু বদলে গেল ২০১৫ সাল থেকে। পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে বিশ্বের কাছে নতুন রূপে হাজির হলো তারা। দেশের মাটিতে হুঙ্কার দিয়ে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে নামে টাইগাররা। ব্যতিক্রম হলো না অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দেশের মাটিতে টেস্ট খেলার বেলাতেও। সাকিব আল হাসান ২-০ তে সিরিজ জিতবেন বলে তো স্টিভেন স্মিথ তো অবাক, ‘হ্যা, সাকিবের এই মন্তব্যে আমি বিস্মিত হয়েছি।’ কিন্তু অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শুধু স্মিথকে নয়, পুরো বিশ্বকে অবাক করে দিলো বাংলাদেশ। টুইটারে দেখা গেল তারই বহিঃপ্রকাশ।
শচীন টেন্ডুলকার, মাইকেল ক্লার্ক ও আরও অনেক সাবেক তারকা ক্রিকেটারদের অভিনন্দনে সিক্ত হলেন মুশফিকরা। মঙ্গলবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্দান্ত জয়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন শচীন টেন্ডুলকার। পরদিন বাংলাদেশের জয়। তার মতে এ জয় টেস্টকে আরও সমৃদ্ধশালী করেছে, ‘দুই দিনে দুটি চমকে দেওয়া জয়। বাংলাদেশের টাইগারদের উজ্জীবিত পারফরম্যান্স। টেস্ট ক্রিকেট সমৃদ্ধ হচ্ছে।’
ভারতের সাবেক ওপেনার বীরেন্দর শেবাগ অভিনন্দন জানালেন মুশফিকদের, ‘শাবাশ বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে দারুণ প্রচেষ্টা।’ শ্রীলঙ্কার সাবেক ব্যাটসম্যান রাসেল আর্নল্ড টুইটারে লিখেছেন, ‘দুর্দান্ত বাংলাদেশ। চমৎকার টেস্ট জয়ে অভিনন্দন। খুব লড়েছ তোমরা। তোমাদের এ কৃতিত্বে অনেক খুশি।’
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডেরও অভিনন্দন পেয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট হারের পর প্রতিপক্ষ দেশকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সাকিব আল হাসানের উদযাপনের একটি ছবি পোস্ট করেছে তারা। বাংলাদেশের প্রশংসা করে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার টুইট, ‘টাইগাররা জিতেছে। কী দারুণ ম্যাচ! ধ্রুপদী একটা ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জিতলো বাংলাদেশ।’ কষ্ট নিয়ে টুইট করেছেন সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক, ‘অভিনন্দন বাংলাদেশ। আমি এমন টুইট করতে চেয়েছিলাম না। কিন্তু যারা কৃতিত্বের দাবিদার তাদের দিতেই হবে।’
শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং গ্রেট মাহেলা জয়াবর্ধনে ঐতিহাসিক এ টেস্ট জয়ের পর বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন, ‘খুব ভালো খেলেছে বাংলাদেশ। ঐতিহাসিক এক টেস্ট জিতলো তারা। খুব ভালো টেস্ট ম্যাচ।’
টেস্ট ক্রিকেট যে এখনও জীবন্ত সেটারই প্রমাণ রেখেছে বাংলাদেশের এ জয়। এমন মত নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অলরাউন্ডার জিমি নিশামের, ‘দুই দিনে দুটি টেস্ট জয়। এ কারণেই তো টেস্ট ক্রিকেট এখনও অনেক উঁচুতে। অভিনন্দন বাংলাদেশ।’
বাংলাদেশ ২৬০/১০ এবং ২২১/১০
অস্ট্রেলিয়া ২১৭/১০ এবং ২৪৪/১০







খেলাধুলা পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com