আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
পছন্দের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুরু হলো ভর্তি যুদ্ধ: বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভব্য ভর্তি পরীক্ষার তারিখ      একাত্তরের যুদ্ধ মনে আছে তো? পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের শাসক দলের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর      ভারতকে হারিয়ে নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় করলো ইংল্যান্ড      এই বছর যে কারণে এইচএসসির ফলে বড় ধস       র‌্যাবকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন তারেক সাঈদ : অ্যাটর্নি জেনারেল      ভিসা ব্যবস্থা কঠোর করে হলেও বৈধ ভিসা নিয়ে যাওয়াদের হয়রানি বন্ধে মালয়েশিয়ার প্রতি আহ্বান      এসএসসির পর এইচএসসিতেও ফল বিপর্যয় কুমিল্লা বোর্ডে      
যিশু বা ঈসা (আঃ) এর স্বর্গারোহণ বিষয়ে খ্রিস্টান ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম যা বলে
Published : Tuesday, 11 July, 2017 at 12:48 AM, Count : 463
যিশু বা ঈসা (আঃ) এর স্বর্গারোহণ বিষয়ে খ্রিস্টান ধর্ম এবং ইসলাম ধর্ম যা বলেডেস্ক রিপোর্ট: খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বিদের মতে যিনি যিশু, তিনিই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মতে (আঃ)।যদিও যিশুর স্বর্গারোহণ হল একটি খ্রিস্টান ধারণা। নূতন নিয়মে প্রাপ্ত এই ধারণা অনুসারে, যিশুর পুনরুজ্জীবনের ৪০ দিন পর তিনি তার শিষ্যদের উপস্থিতিতে সশরীরে স্বর্গে গমন করেন। বাইবেলের উপাখ্যান অনুসারে, এক দেবদূত প্রত্যক্ষদর্শী শিষ্যদের জানান, যেমনভাবে যিশু স্বর্গে আরোহণ করলেন, ঠিক তেমনভাবেই তিনি দ্বিতিয়বার পৃথিবীতে নেমে আসবেন।প্রামাণ্য সুসমাচারগুলিতে যিশুর স্বর্গারোহণের দুটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা পাওয়া যায়: লুক-লিখিত সুসমাচার (২৪: ৫-৫৩) ও মার্ক-লিখিত সুসমাচার (১৬: ১৯)। ‘প্রভু যিশুর প্রেরিত শিষ্যদের কার্যবিবরণী’ পুস্তকে (১: ৯-১১) যিশুর স্বর্গারোহণের একটি অধিকতর বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়। 
নাইসিন ধর্মমত ও প্রেরিতদের ধর্মমতে যিশুর স্বর্গারোহণের কথা বলা হয়েছে। এই স্বর্গারোহণের তাৎপর্য এই যে এই মতবাদের মাধ্যমে যিশুর মানবতার স্বর্গে আরোহণের উপর গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে।ইস্টারের ৪০ দিন পর এই দিনটি বৃহস্পতিবার স্বর্গারোহণ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এটি খ্রিস্টান বর্ষপঞ্জির অন্যতম প্রধান উৎসব। আনুমানিক খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতাব্দীর শেষার্ধে চালু হওয়া এই উৎসব অত্যন্ত জনপ্রিয়।যিশুর স্বর্গারোহন সুসমাচারে উল্লিখিত যিশুর জীবনের প্রধান পাঁচটি উল্লেখযোগ্য ঘটনার এটি অন্যতম এবং অন্যগুলি হলো, দীক্ষা, রূপান্তর, ক্রুশারোহণ এবং পুনরুজ্জীবন।৬ষ্ঠ শতাব্দীর মধ্যে খ্রিস্টান শিল্পকলায় স্বর্গারোহণের চিত্র অঙ্কিত হতে শুরু হয়। ৯ম শতাব্দী থেকে গির্জার চূড়ায় স্বর্গারোহণের দৃশ্য প্রদর্শিত হতে শুরু করে। অনেক স্বর্গারোহণের দৃশ্যে দুটি অংশ থাকে একটি উপরের স্বর্গীয় এবং একটি নিচের পার্থিব অংশ। স্বর্গারোহণের সময় যিশু ডান হাতে পৃথিবীতে তার শিষ্যদের আশীর্বাদ করছেন এমন দৃশ্যও দেখা যায়। এই দৃশ্যের তাৎপর্য যিশু সমগ্র চার্চকে আশীর্বাদ করছেন। 
খ্রিস্টধর্মের মত ইসলাম ধর্মেও তিনি সম্মানিত একজন নবী তবে ইসলাম ধর্মে তার ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে স্বীকার করা হয় না বলা হয় যে, ক্রুশবিদ্ধ করার জন্য যখন বাহক তাকে নিতে ঘরে প্রবেশ করে তখনই আল্লাহ তাকে উপরে তুলে নেন এবং বাহকের চেহারাকে ঈসাএর চেহারার অনুরুপ করে দেন ফলে ঈসা মনে করে সেই বাহককে ক্রুশবিদ্ধ করা হয় ।ইসলাম বলে যে ঈসা বর্তমানে জীবিত অবস্থায় জান্নাতে অবস্থান করছেন। কেয়ামতের পূর্বে দাজ্জালের আবির্ভাবের পর ঈসা নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর একজন উম্মত বা অনুসারী হিসেবে পুনরায় পৃথিবীতে অবতরণ করবেন এবং দাজ্জালকে হত্যা করবেন তারপর তিনি সমস্ত পৃথিবীর শাসনভার গ্রহণ করবেন এবং পৃথিবীতে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবেন ।সবশেষে তিনি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে মৃত্যূবরণ করবেন এবং মুহাম্মদ(সঃ)এর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে যে কারণে মদীনায় নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর কবরের পাশে তাকে কবর দেয়ার জায়গা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল এবং এখনও বহাল আছে ।তবে ইসলাম ধর্মে বাইবেল বলে কোনো ধর্মগ্রন্থের উল্লেখ পাওয়া যায় না। উল্লেখ যেটা পাওয়া যায় ঈশ্বরের বাণীবাহক ঈসা (আঃ) এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছিল ইঞ্জিল নামক পূর্ণাঙ্গ একটি ধর্মগ্রন্থ। ইঞ্জিলে বলা হয়েছে যে মানুষের গুনাহ্‌ থেকে নাজাত করার জন্য আল্লাহ্‌ তার মনোনিত ব্যক্তি ঈসাকে দুনিয়াতে প্রেরন করেন। যে কেউ যদি ঈসার মাধ্যমে আল্লাহ উপর ঈমান আনে এবং গুনাহের মাফ পাবার জন্য তওবা করে আল্লাহ্‌র দিকে ফেরে সেই নাজাত পায়। ইঞ্জিল কিতাবের ইউহোন্না খন্ডের ১৪ রুকু ৬ আয়াতে বলা হয়েছে, "আমিই (ঈসাই) পথ, সত্য আর জীবন। আমার মধ্য দিয়ে না গেলে কেউই পিতার কাছে (অর্থাৎ আল্লাহ্‌র কাছে) যেতে পারে না। উল্লেখ্য যে ঈসা (আঃ) আল্লাহ্‌ কে পিতা বলে সম্মধন করেছেন। কিন্তু কুরআন মাজীদে আছে আল্লাহ্ পবিত্র।তিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং তাকে কেউ জন্ম দেয় নি।ইসলামী জীবন-ধারার ব্যাখ্যামতে, এই ঈসা (আঃ)ই হলেন খ্রিস্টধর্মমতে যীশু। তাই ধরে নেয়া হয় বাইবেল হলো সেই ইঞ্জিল। কিন্তু ইসলাম, পূর্বতন এসব ধর্মগ্রন্থকে স্বীকৃতি দিলেও সেই যাবতীয় নিয়মকানুনকে রহিত করে শেষ বাণীবাহকের আনা ধর্মগ্রন্থ কুরআন-কে একমাত্র স্বীকৃত ধর্মগ্রন্থ এবং জীবনবিধান হিসেবে স্বীকার করে।







অন্যান্য পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com