আবহাওয়া বিশ্বঘড়ি মুদ্রাবাজার বাংলা দেখা না গেলে                    
শিরোনাম :
নাগরিক সমাবেশে এমপিদের পোস্টার নিয়ে শো-ডাউন করল কর্মী-সমর্থকরা      আ,লীগ নেতা জাফরউল্যাহ'র পানামা পেপারসের পর বিএনপি নেতা মিন্টুর প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারি      আত্রাইয়ে কালি মন্দিরের মূর্তি ভাংচুর      মার্কিন কংগ্রেসে উপস্থাপন করা হবে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য       সমাবেশে না আসলে বেতন কাটা যাবে: বিএনপির মহাসচিব      সিএনজি চালকদের উবার ও পাঠাও বন্ধে কর্মসূচি দেওয়ায় ক্রুদ্ধ যাত্রীরা      কাঠালিয়ায় ইউএনও-পিআইও দ্বন্দ্বে চাল আত্মসাতের কাহিনী ফাঁস!      
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকোর্সের মান নিয়ে প্রশ্ন
Published : Monday, 10 July, 2017 at 4:02 PM
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকোর্সের মান নিয়ে প্রশ্নবিডিহটনিউজ,ঢাকা: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০০৬ সালের পর থেকে চালু হওয়া সান্ধ্যকোর্সে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও এর মান নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠছে। অর্থের বিনিময়ে স্বল্প সময়ে ও তুলনামূলক কম পড়াশোনায় পাওয়া এই সনদ আদৌ কতটা মানসম্পন্ন তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ এমনকি নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করে ২০০৬ সালে। ওই কৌশলপত্র অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন সময়ে সান্ধ্যকোর্স চালু করা হয়। সান্ধ্যকোর্সের নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরাই এই কোর্স পরিচালনা করেন। তারাই পরীক্ষার সিলেবাস তৈরি করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়ান। এছাড়াও পরীক্ষা নেওয়ার সময় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের শিক্ষকদের সাহায্য ছাড়াই প্রশ্নপত্র তৈরি, উত্তরপত্র পরীক্ষাসহ পরীক্ষার ফলও প্রস্তুত করেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি আদায়সহ অর্থনৈতিক হিসাব নিকাশও তত্ত্বাবধান করেন তারা। ফলে টাকা থাকলে সান্ধ্যকোর্সে ভর্তি হওয়া এবং ভালো সিজিপিএ নিয়ে বের হতে শিক্ষার্থীদের বেগ পেতে হয় না। এসব বিবেচনায় সান্ধ্যকোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও বলতে দ্বিধা করেন না ‘সান্ধ্যকোর্সের মান ক্রমেই নিম্ন থেকে নিম্নতর হচ্ছে’।
বর্তমানে দেশে বেশ কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকোর্স চালু রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, ‘নিয়মিত শিক্ষার্থীরা কঠোর পরিশ্রম করে হাজার হাজার শিক্ষার্থীদেরকে ডিঙিয়ে বিশ্বিবদ্যালয়ে ভর্তি হয়। কিন্তু সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থীদের এ ক্ষেত্রে কষ্টের ধারে কাছেই যেতে হয় না। আমি আজও  শুনিনি, সান্ধ্যকোর্সে ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে কেউ চান্স পায়নি।’
রায়হান রাইন আরও বলেন, ‘নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সিলেবাস ও প্রশ্ন প্রণয়ন করেন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একই বিভাগের শিক্ষকরা। কিন্তু সান্ধ্যকোর্সের সিলেবাস প্রণয়ন করেন নিজ বিভাগেরই শিক্ষকরা। প্রশ্নও তারাই তৈরি করেন, খাতাও তারাই দেখেন আবার ফলও তারাই প্রস্তুত করেন। এছাড়া শিক্ষার মান ঠিক রাখতে হলে পরিবেশটাও অনেক জরুরি। নিয়মিত শিক্ষার্থীরা যেমন একটি সুন্দর ক্যাম্পাস পান, হল পান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে পারেন। চলাফেরা ও আড্ডার মধ্য দিয়েও জ্ঞান অর্জন করেন। কিন্তু সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থীরা অন্ধকারে আসেন, অন্ধকারেই চলে যান।’  তারা কী শিখছেন এমন প্রশ্নও তোলেন এই শিক্ষক।
নিয়মিতরা প্রতিটি ক্লাসের সময় পান ৪৫ মিনিট। সেখানে প্রতি কোর্সে প্রতি সেমিস্টারে ক্লাস পায় গড়ে ২২ টা ক্লাস। অর্থাৎ প্রতি সেমিস্টারে মোট ক্লাস হয় গড়ে ৮৩ ঘণ্টা। অনার্স ও মাস্টার্সে ৫০টি কোর্স হলে ক্লাসের সময় পান গড়ে ৮২৫ ঘণ্টা করে। অন্যদিকে সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থীরা প্রতি ক্লাসের সময় পান গড়ে ২ ঘণ্টা। তারা ২ বছরে ৬ সেমিস্টারে গড়ে ক্লাসের সময় পায় ৫৭৬ ঘণ্টা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভিনিং এমবিএ’র এক ছাত্র অভিযোগ করে বলেন, ‘শিক্ষকরা প্রচুর ক্লাস ফাঁকি দেন। চার ঘণ্টার ক্লাস শেষ করেন মাত্র দুই ঘণ্টায়। তাও আবার একটানা ক্লাস হওয়ার কারণে ক্লাসে মনোযোগও থাকে না। প্রতি সেমিস্টারে মোট ক্লাস হওয়ার কথা ১৬ থেকে ১৮টা। সেখানে ক্লাস নেওয়া হয়, মাত্র ১০ থেকে ১২টা। শিক্ষকরা যখন বুঝতে পারেন পরীক্ষার আগে সিলেবাস শেষ করতে পারছেন না, তখন আবার সিলবাস সংক্ষিপ্ত করে পরীক্ষা নেন। এছাড়া তারা আমাদেরকে গরু-ছাগল মনে করেন, তাই ফল পেতেও খুব একটা কষ্ট করতে হয় না। টাকা দিয়ে পড়ছি, নম্বর তো দেবেই। ফেল করা বেশ কঠিন এখানে।’
ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘দেশের নামিদামি বেসরকারি বিশ্বিবদ্যালয়ে যেখানে মাত্র দুই থেকে আড়াই লাখ টাকায় কোর্স শেষ করা যায়, সেখানে ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ে অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে ভর্তি হয়ে কোর্স শেষ করতে খরচ হয় তিন লাখ টাকা। এছাড়া প্রতিনিয়ত ভর্তি ফি’সহ সেমিস্টার ফি বাড়ছেই। এমনকি এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে। টাকা বেশি নিলেও আমরা নিয়মিতদের মতো সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না।’
ইভিনিং এমবিএ করার কারণে জব সেক্টরে গিয়েও খুবই নিচু হয়ে থাকতে হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী জিন্নাতুন্নেছা বর্তমানে জনতা ব্যাংকে কর্মরত আছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত শিক্ষার্থীরা চার বছরের অনার্স করেছি ম্যানেজমেন্টে। তারপর এক বছরের এমবিএ করেছি। কিন্তু ইভিনিং এমবিএতে যারা ভর্তি হচ্ছে, তারা দুই বছরেই কিভাবে পাঁচ বছরের কারিকুলাম কমপ্লিট করবে? একই সিলেবাসে সেটা তো আদৌ সম্ভব না। ফলে শিক্ষকরা তাদের জন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করে দেন। কিন্তু এতে করে শিক্ষার মান ঠিক থাকছে না। আবার যারা ইভিনিংয়ে ভর্তি হন তাদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর ব্যকগ্রাউন্ড ব্যবসা অনুষদের নয়। ফলে তারা রীতিমত চোখে মুখে অন্ধকার দেখেন।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, ‘সান্ধ্যকোর্সে ভর্তি হতে বিশেষ কোনও যোগ্যতা লাগে না। অনার্সের সিজিপিএ ২ দশমিক ৫০ এর ওপরে থাকলেই ভর্তি হওয়া যায়। এছাড়া যেকোনও বিষয় থেকে অনার্স পাস করলেও যে কেউ সান্ধ্যকোর্সে ভর্তির আবেদন করতে পারেন। এমবিএ করতে পারেন যে কেউ। উচ্চশিক্ষা এতো সহজ হওয়ার কারণে ক্রমেই এর মান নিচে নেমে যাচ্ছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যেহেতু সান্ধ্যকোর্স খোলার একমাত্র উদ্দেশ্যই হলো টাকার বিনিময়ে উচ্চ শিক্ষা। সে কারণে শিক্ষার মান নিয়ে শিক্ষকরা খুব একটা ভাবেন না। তারা কেবল টাকা পকেটে ভরতে চান। আবার এই টাকার ভাগ-বাটোয়ারা নিয়েও শিক্ষকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিভেদ ও দলাদলি তৈরি হয়।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী সান্ধ্যকোর্সের মান বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা এই কোর্স ভর্তি হয় তাদের বেশিরভাগই কোনও না কোনও পেশায় জড়িত থাকেন। এছাড়াও বেশ কিছু বিষয় মাথায় রেখেই এদের জন্য কোর্স কারিকুলাম তৈরি করা হয়। তবে সেটা অবশ্যই মানটা ধরে রাখা জরুরি। শিক্ষকদেরকে খেয়াল রাখতে হবে যেন তাদের শিক্ষার মান ঠিক থাকে।’ 
জানা গেছে, গত ২১ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে এরকম একটি ঘটনা ঘটেছে। সান্ধ্যকোর্সের টাকা ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে বিভাগের শিক্ষকরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই দ্বন্দ্বের জেরে বিভাগের সাবেক জাকির হোসেন বিভাগের প্রতিটি কক্ষে তালাও ঝুলিয়ে দেন। এতে করে বিপাকে পড়েন নিয়মিত শিক্ষার্থীরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আল আমিন বলেন, ‘শিক্ষকরা তাদের ব্যবসার (সান্ধ্যকোর্স) বিজ্ঞাপনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে টাকা অনুদান দিয়ে থাকেন, সেটা আবার ফলাও করে প্রচারও করেন। তারা বিভাগের জন্য চেয়ার-টেবিল কিনলেও তার গায়ে সুন্দর করে লিখে রাখেন, ইভনিং কোর্স। আবার সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থীদের টাকায় কেনা এসি নিয়মিত শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময় বন্ধ রাখা হয়।’
গত ১৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন সিনেট অধিবেশনের বাজেট বক্তৃতায় সান্ধ্যকালীন কোর্সের সমালোচনা করেন। ওইদিন তিনি বলেন, ‘সান্ধ্যকোর্সের মাধ্যমে দেশে নিম্নমানের গ্রাজুয়েট তৈরি হচ্ছে।’
২০০৬ সালে বিশ্বব্যাংক ও এডিবি’র অর্থায়নে এবং তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করে, যা মোট চারটি স্তরে বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত হয়। সেটাই বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সান্ধ্যকালীন কোর্স খুলে কার্যক্রম চালাচ্ছে। কিন্তু তাদের শিক্ষার মান ঠিক রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘নিয়মিত হোক আর সান্ধ্যকালীন হোক, মান অবশ্যই ঠিক রাখতে হবে। নিয়মিত ও সান্ধ্যকালীন শিক্ষার্থীদেরকে একই প্রক্রিয়ায় ভর্তি করাতে হবে, একই প্রক্রিয়ায় ক্লাস নিতে হবে। যে শিক্ষার্থী কখনও কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারতো না তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করিয়ে সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না। এইসব বিষয়গুলো সবার আগে শিক্ষকদের খেয়াল রাখতে হবে এবং পুরোটা অবজারভেশনে রাখবে বিশ্ববিদ্যালয়।’
মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিসহ দেশের বেশিরভাগ বড় বড় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে এমবিএ শিক্ষার্থী চায়। সান্ধ্যকালীন এমবিএ অথবা সান্ধ্যকোর্সে মাস্টার্সধারীদের নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে বসুন্ধরা গ্রুপের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, ‘কোম্পানিগুলো ভালো কোনও পদের জন্য এমবিএধারী অথবা মাস্টার্স পাস প্রার্থী চায়। সান্ধ্যকালীন এমবিএধারী অথবা সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সধারীদের এ ক্ষেত্রে মূল্যায়ন হয় না। তবে তারা যে ভালো কিছু দেখাতে পারেন না, তা কিন্তু নয়। তবে কোম্পানিগুলো নিয়মিত এমবিএধারী প্রার্থীই চায়। এটা বর্তমানে এক ধরনের ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে।’
জাগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, নিয়মিতরা তুলনামূলক রিল্যাক্সের সঙ্গে পড়াশোনা করে। আর সান্ধ্যকোর্সের শিক্ষার্থীরা খুবই চাপে থাকেন। বেশি চাপ না দিতে শিক্ষকরা না শিখিয়েই গোঁজামিল দিয়ে কোর্স শেষ করেন বলেও তিরি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সান্ধ্যকোর্স করছি অনেকটা বাধ্য হয়ে। কারণ ভালো জবের জন্য এমবিএ চায়। নিয়মিতরা একটা স্ট্যান্ডার্ড মান বজায় রেখে যেভাবে পড়েন অথবা ভালো ফল করেন আমরা তা পারি না। কেউ কেউ মেধার জোরে কেউ কেউ ভালো করেন।’  







শিক্ষাঙ্গন/ ক্যাম্পাস পাতার আরও খবর
আজকের রাশিচক্র
সম্পাদক : ইয়াসিন আহমেদ রিপন

ঝর্ণা মঞ্জিল, মাষ্টার পাড়া, মাইজদী, নোয়াখালী। ঢাকা: ৭৯/বি, এভিনিউ-১, ব্লক-বি, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২২৬, বাংলাদেশ।
ফোন : +৮৮-০২-৯০১৫৫৬৬, মোবাইল : ০১৯১৫-৭৮৪২৬৪, ই-মেইল : info@bdhotnews.com